স্বদেশী আন্দোলন বলতে কি বোঝ? স্বদেশী আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা

স্বদেশী আন্দোলন বলতে কি বোঝ: বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন হিসেবে স্বদেশী ও বয়কট আন্দোলনের সৃষ্টি হয়। স্বদেশী বলতে বোঝায় ভারতে (স্বদেশে) প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদন ও তার ব্যবহার করা দেশের রীতিনীতি মেনে চলা ও দেশীয় শিক্ষা গ্রহণ করা।

ভারতবর্ষ থেকে ইংরেজ ওপনিবেশিক শাসন ও শোষণের অবসানের জন্য ভারতবাসী যেসব সংঘবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলেছিল তার প্রথম পর্ব হিসেবে ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের নাম উল্লেখ করা যায়। আর এই বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন কে কেন্দ্র করেই বাংলায় যে দুটি আন্দোলন উত্তাল হয়ে ওঠে তা হল বয়কট ও স্বদেশী আন্দোলন।

আজকের আমরা এই আর্টিকেল এ জানবো স্বদেশী আন্দোলন বলতে কী বোঝো? স্বদেশী আন্দোলনের কি কি? এছাড়াও স্বদেশী আন্দোলন সম্পর্কে নানান বিস্তারিত তথ্য আমরা আলোচনা করব।

তাহলে চলুন প্রথমে জেনে নেওয়া যাক স্বদেশী আন্দোলন বলতে কি বোঝ?

স্বদেশী আন্দোলন বলতে কি বোঝ?

স্বদেশী আন্দোলন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের একটি অংশ। স্বদেশী আদর্শে উদ্বুদ্ধ একটি আন্দোলনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল অর্থনৈতিকভাবে ব্রিটিশ শক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে ভারত থেকে ব্রিটিশ শাসনের উচ্ছেদ সাধন এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উন্নতি সাধন। আন্দোলনের রণকৌশলের অন্তর্গত ছিল ব্রিটিশ পণ্য বয়কট এবং দেশীয় শিল্প ও উৎপাদন প্রক্রিয়ার উন্নতিসাধন। স্বদেশী আন্দোলনের উৎস ছিল ১৯০৫ সালের 

বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন।

বয়কট আন্দোলন ক্রমে স্বদেশী আন্দোলনে পরিণত হয়। বলা বাহুল্য যে, বয়কট ও স্বদেশী আন্দোলন ছিল একটি অপরটির পরিপূরক। বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে স্বদেশী আন্দোলন নেতৃত্বে বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে স্বদেশী আন্দোলন দারুন আকার ধারণ করে। নরেন্দ্রনাথ ছাড়া শিবনাথ শাস্ত্রী, সুবোধ চন্দ্র মল্লীক, আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, অশ্বিনী কুমার দত্ত প্রমুখ নেতাদের আহ্বান এবং তাদের বক্তৃতায় দেশের তরুণ চিত্তে এক উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। অরবিন্দু ঘোষ তিনি দৃঢ় কন্ঠে বলেন ” We want absolute autonomy free from British Control “।

স্বদেশী আন্দোলনের কারণ ও ফলাফল

ব্রিটিশ ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল এর বঙ্গভঙ্গের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সমগ্র বঙ্গজুড়ে ওঠে স্বদেশী আন্দোলন। এই স্বদেশীয় আন্দোলনকে সমর্থন দেওয়ার উদ্দেশ্যে সমগ্র দেশ জুড়ে শুরু হয় স্বদেশী আন্দোলন।

স্বদেশী আন্দোলনের কারণগুলি হল-

(১) কার্জনের বঙ্গভঙ্গের সিদ্ধান্ত: স্বদেশী আন্দোলনের প্রধান কারণ হলো লর্ড কার্জন বাংলায় প্রেসিডেন্সিকে পূর্ববঙ্গ ও আসাম এবং বঙ্গদেশ নামে দুটি আলাদা প্রদেশে ভাগ করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন যার ফলে এই সিদ্ধান্তের উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

(২) বাঙালির ঐক্য ও সংঘতির বিকাশ: লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে বাঙালির ঐক্য ও সংহতি বিকাশ করতে চেয়েছিলেন। নবজাগরণে উদ্ভূব্দ বাঙালি জাতি নিজেদের ঐক্য ও সংহতির রক্ষা করতে এবং বাংলাকে বিভক্ত করার হাত থেকে বাঁচানোর লক্ষ্যে শুরু করে স্বদেশী আন্দোলন।

(৩) পত্রিকার মাধ্যমে প্রতিবাদ: কার্জনের বঙ্গভঙ্গের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে কৃষ্ণকুমার মিত্র সম্পাদিত সঞ্জবনী পত্রিকাতে সর্বপ্রথম ‘বঙ্গভঙ্গের সর্বনাশ’ শিরোনামে বঙ্গভঙ্গের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়। একে একে বেঙ্গল গেজেট, সন্ধ্যা বন্দেমাতরম, হিতবাদী প্রভৃতি দেশীয় পত্রিকা 

বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে সবর হলে স্বদেশী আন্দোলনের পটভূমি রচিত হয়।

(৪) সভাসমিতির দায়ভার: বঙ্গভঙ্গের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে প্রথমে নরমপন্থী ও পরে চরমপন্থী নেতাদের নিয়ে সভাসমিতির গঠিত হয়। সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় এর নেতৃত্বে এক ঐতিহাসিক জনসভায় আয়োজন করা হয়, অপরদিকে আনন্দমোহন বসুর নেতৃত্বে কলকাতায় আরও একটি বিশাল জনসভা হয়। এইভাবে একের পর এক জনসভা স্বদেশী আন্দোলনের পথকে আরো ত্বরান্বিত করেছিল।

এবার আমরা স্বদেশী আন্দোলনের ফলাফল নিয়ে নিচে আলোচনা করব,

স্বদেশী আন্দোলনের ফলাফল গুলি হল – 

(১) নবযুগের সূচনা: স্বদেশী আন্দোলন প্রকৃত অর্থেই ভারতে জাতীয় আন্দোলনের ইতিহাসে প্রথম পূর্ণাঙ্গ ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন স্বদেশী আন্দোলনেই ছিল সর্বপ্রথম স্বরাজের আদর্শে ঘোষিত ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন। এই আন্দোলনের ফলে রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নবযুগের সূচনা ঘটে।

(২) নরমপন্থী ও চরমপন্থীদের মতবিরোধ: ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে জাতীয় কংগ্রেসের নরমপন্থী ও চরমপন্থীদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। এই মত্ত অভেদ জাতীয় কংগ্রেসের সুরাট অধিবেশনের মধ্যে দিয়ে কংগ্রেসের মতবিরোধ সৃষ্টি হয়।

(৩) বঙ্গভঙ্গ রদ: স্বদেশী আন্দোলনে ব্রিটিশ শক্তির উপর তীব্র প্রভাব ফেলে যার ফলে শেষ পর্যন্ত ব্রিটিশ বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়। ব্রিটিশ সরকারের প্রতি একটানা প্রতিবাদের ফলে ব্রিটিশ প্রশাসন ভীত হয়ে পড়ে। অবশেষে ব্রিটিশ সরকার ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে ১২ই ডিসেম্বর বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়।

(৪) সাংস্কৃতিক জাগরণে: স্বদেশী আন্দোলন বাংলায় সাহিত্য, বিজ্ঞান, শিল্প সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে এক নবউন্মাদনার সৃষ্টি করে। স্বদেশী যুগের কবিতা, নাটক ও গানগুলি পরবর্তীকালের জাতীয় আন্দোলনকে দেশবাসীকে যোগদানের প্রেরণা যোগায়।

স্বদেশী আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা

ভূমিকা: ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন বাংলা প্রদেশকে দ্বিখন্ডিত করেন। একে বঙ্গভঙ্গ বলা হয়। বাংলার জনগণ বঙ্গভঙ্গের তীব্র বিরোধিতা করেন। বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নারীরা হলেন – সরলাদেবী চৌধুরানী, কুমুদিনি বসু, লীলাবতী মিত্র, নির্মলা সরকার, হেমাঙ্গিনী দাস প্রমুখ।

আন্দোলনের ধরন: স্বদেশি আন্দোলনে নারীদের অংশগ্রহণ ছিল মূলত ঘরোয়া বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ। আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা ছিল প্রধানত

(১) স্বদেশী দ্রব্যের ব্যবহার করা।

(২) বিদেশী জিনিস ও কাচের ছুরি ভেঙে ফেলা।

(৩) অরন্ধন দিবস পালন করা।

(৪) আন্দোলনকারী ও বিপ্লবীদের বিভিন্নভাবে সাহায্য করা।

আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা: বিংশ শতকে শুরুতে ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ কে কেন্দ্র করে বাংলায় যে স্বদেশী আন্দোলন হয়েছিল তাতে নারীরা অংশগ্রহণ করেন। এই আন্দোলনে যুক্ত নারীরা সামাজিক প্রেরণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে দৃঢ় সংগ্রামী মানসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আহবানে  রাখিবন্ধন উৎসবে মহিলারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দেন।

যে সময় খুব কম সংখ্যক নারী প্রকাশ্যে সভা সমিতিতে যোগদান করতেন  নারীরা পাড়ায় বা কারোর বাড়িতে জড়ো হতেন। যেমন – মুর্শিদাবাদের কান্দিতে রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদীর বাড়িতে সমবেত হয়ে প্রায় ৫০০ মহিলা বঙ্গলক্ষীর ব্রতকথা শুনেছিলেন। তারা বিদেশী দ্রব্য বর্জন স্বদেশে দ্রব্যের ব্যবহার ও অরন্ধনের মধ্য দিয়ে প্রতিবাদের সবর হয়েছিলেন। বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করার দিনে আনন্দমোহন বসু হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের প্রতি হিসেবে আপার সার্কুলার রোডে মিলন মন্দির বা ফেডারেশন হলের ভিত্তি স্থাপন করলে নরনারী নির্বিশেষে ভাবাবেগে আপ্লুত হয়।

আন্দোলনের পরবর্তী পূর্বে যখন বিদেশি দ্রব্য অর্জন করে স্বদেশী দ্রব্য গ্রহণের আন্দোলন শুরু হয় তখন বাংলার নারীরা তাতেও স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দেন। সরলাদেবী চৌধুরানী প্রতিষ্ঠিত ‘স্বদেশী ভান্ডার’ স্বদেশী দ্রব্য বিপণের একটি প্রধান কেন্দ্র হয়ে দাঁড়ায়। উৎপাদন সংস্থা এবং ‘বীরাষ্টমী ব্রত‘ উদযাপন স্বদেশী চেতনা জাগ্রত করতে সাহায্য করেছিল।

জাতীয়তাবাদী নারীরা পুরুষের সঙ্গে সমবেত ভাবে আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন। তারা গ্রামও শহরে সর্বত্র চরকার প্রবর্তন, অর্থসংগ্রহ (লক্ষীর ভান্ডার) প্রভৃতি কাজে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। তবে স্বদেশী আন্দোলনের সময় নারী আন্দোলন মূলত উচ্চবর্ণ, ধনী, বুর্জোয়া, শহুরে নারীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।

মা লক্ষ্মী-র ধারণার প্রচার: স্বদেশী আন্দোলন নারীদের আন্দোলনে দেবী লক্ষীকে রূপক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বলা হয় বঙ্গভঙ্গের জন্য মা লক্ষ্মী দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছেন, তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য সকল নারীকে চেষ্টা করতে হবে।

‘মায়ের কৌটা ‘য় অর্থ ও সম্পদ সংগ্রহ: বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনে অর্থ সংগ্রহের জন্য ‘মায়ের কৌটার’ কথা বলা হয়। মায়ের কৌটা বলতে বোঝায় প্রতি বাড়িতে একটি করে কৌটা রাখতে হবে, যে কৌটায় প্রতিদিন দেশমায়ের জন্য এক মুঠো করে চাল রাখতে হবে। আবার কোন নারী বেশি অর্থ দান করলে বা কোন দুঃসাহসিক কাজ করলে তাকে ‘বঙ্গলক্ষী’  উপাধিও দেওয়া হতো।

বিপ্লবীদের সহায়তা: স্বদেশী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বিপ্লবী আন্দোলনের প্রসার ঘটে। ভগিনী নিবেদিতা বাংলার বিপ্লবী আন্দোলনে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন। তিনি সক্রিয়ভাবে বাংলার বিপ্লবী গুপ্ত সমিতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বাংলার যেসব নারীরা বিপ্লবীদের আশ্রয়দান, গোপন সংবাদ আদান-প্রদান, অস্ত্র লুকিয়ে রাখা ও অস্ত্র সরবরাহের কাজে সাহায্য করতেন তাদের মধ্যে – বীরভূমের দুকড়িবালা দেবী, ঢাকায় ব্রহ্মময়ী সেন, ফরিদপুরের সৌদামিনী দেবী বরিশালের সরোজিনী দেবীর নাম স্মরণীয়।

মূল্যায়ন: স্বদেশী আন্দোলনে সব শ্রেণীর নারীরা সমানভাবে অংশগ্রহণ করেনি। মধ্যবিত্ত হিন্দু পরিবারভুক্ত মেয়েদের এই আন্দোলনে যোগদানের প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। তবে এ কথা বলা যায় যে, স্বদেশী আন্দোলন কে কেন্দ্র করে বাংলার নারী সমাজের রাজনৈতিক চেতনা এক উচ্চতর স্তরে উন্নতি হয়েছিল।

স্বদেশী আন্দোলনের প্রভাব

স্বদেশী আন্দোলনের প্রভাবে দেশের শিল্প কারখানার প্রসার ঘটে। প্রতিষ্ঠিত হয় স্বদেশী উদ্যোগে দেশলাই, সাবান, গেঞ্জি, ওষুধ, বস্ত্র বয়ন ও বিভিন্ন প্রসাধনী দ্রব্যের কারখানা ইত্যাদি। এ সময় আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় প্রতিষ্ঠা করেন বেঙ্গল কেমিক্যালস, জামশেদজি টাটা প্রতিষ্ঠা করেন TISCO (টিস্কো), সাহিত্য ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে এক নতুন উদ্দীপনা দেখা দেয়। সরকারের ভাষায় ” No other phase our National Movement can boast of a Cultural Accompaniment as rich as Swadeshi “। 

অসংখ্য গান, কাব্য, নাটক, প্রবন্ধ এ সময় রচিত হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ বাংলা মাটি বাংলার জল, যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে’, রজনীকান্ত সেনের  দেওয়া মোটা কাপড় মাথায় তুলে নেরে ভাই,  দেশবাসীকে স্বদেশী চেতনায় উদ্দীপ্ত করে। রবীন্দ্রনাথের ‘ঘরে বাইরে’ ও ‘গোরা’, প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায়ের ‘উকিলের বুদ্ধি’, ‘খোলস’ প্রভৃতি এ যুগের পটভূমিতে রচিত হয়। এছাড়াও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বেশকিছু প্রবন্ধ এসময় রচিত হয় যেমন –  আত্মশক্তি, ভারতবর্ষ, স্বদেশ শিক্ষা প্রভৃতি।

পরিশেষে একথা বলা যায় যে, স্বদেশী আন্দোলন গ্রামে গঞ্জে প্রসারিত হলেও তার গভীরতা ছিল কম। ডক্টর সুমিত কুমার সরকার তার সাম্প্রতিক গবেষণা দ্বারা প্রমাণ করেছেন যে, স্বদেশী আন্দোলনের কোন কৃষিভিত্তিক কর্মসূচি ছিল না। তাই এই আন্দোলন সাধারন কৃষক সমাজকে উদ্বুদ্ধ করতে পারেনি। এই দুর্বলতার জন্য সদস্য আন্দোলনে প্রকৃত গণ আন্দোলনের চরিত্র পরিগ্রহ করেনি।

আশা করছি উপরের দেওয়া স্বদেশী আন্দোলন সম্পর্কে সমস্ত তথ্য যথাযথভাবে দিতে পেরেছি যদি কোন প্রশ্ন থাকে অথবা এই আর্টিকেল সম্পর্কে আপনার মতামত নিচে কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন।

AnswerChamp সাইটটি প্রতিদিন ফলো করবেন। এই ধরনের সুন্দর সুন্দর তথ্য বাংলায় পাওয়ার জন্য। ধন্যবাদ।।

1 Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আজকের রাশিফল 10-12-2022 আজকের রাশিফল 09-12-2022 আজকের রাশিফল 07-12-2022 আজকের রাশিফল 06-12-2022 আজকের রাশিফল 05-12-2022 Current Affairs MCQ With Answers p16 Current Affairs MCQ With Answers p15 Current Affairs MCQ With Answers p14 Current Affairs MCQ With Answers p13 Current Affairs MCQ With Answers p9